মেনু নির্বাচন করুন

বিবি মরিয়ম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বিবি মরিয়ম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মূলত একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। তবে এখানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কাল থেকে প্রাথমিক (১ম থেকে ৫ম শ্রেণি) শাখা চলমান ও বিদ্যমান আছে। যেখানে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের লেখাপড়া করার সুযোগ রাখা হয়েছে। উদ্দেশ্য এখানে কিছু নারী শিক্ষার্থী তৈরি করে আনা এবং ছেলেরা ৫ম শ্রেণি উত্তীর্ণের পর চলে যায় কোন বালক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭২ সালে। অত্র অঞ্চলে তখন নারী শিক্ষার কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। বিদ্যালয়টি ১.৬২ একর জমির উপর অবস্থিত যাহার সম্পূর্ণ এলাকাটি মোঘল আমলের  দেয়াল দ্বারা সুরক্ষিত। এর মধ্যে ০.৪৪ একরে মূল ভবন সমূহ অবস্থিত অবশিষ্ট ০.৭৪ একর জমির উপর খেলার মাঠ এবং খেলার মাঠের পশ্চিম প্রান্তে ০.০৫ একর জমির উপর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের জন্য নির্মীত হয়েছে বাসভবন। ইহা ছাড়া বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে ০.৪৪ একর জমির উপর ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ ও ঈদগাহ অবস্থান করছে।

বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রাথমিক শাখায় ২৫৮ জন এবং মাধ্যমিক শাখায় ১১৩৭ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় পারদর্শিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। যেমন: দাবা, ভলিবল,হ্যান্ডবল,ফুটবল,এথল্যটিকস্। দরিদ্র ও অশিক্ষিত অভিভাবকের সমতানদের এখানে ভর্তি করতে হয় যার জন্য লেখা পড়া করানোর ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সহযোগিতা পাওয়া যায় কম। যার জন্য শিক্ষার্থীদের যথার্থ শিক্ষা দিতে বেশ বেগ পেতে হয়।

          বিদ্যালয়ের বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির তৎপরতায় অবকাঠামোর বেশ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ যথেষ্ট ভাল বলে দাবি করা যায়। অতি বন্যা বা অতীব খরা অত্যাধিক গরমেও বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের বিঘ্ন ঘটে না।

বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার স্বার্থে একটি কম্পিউটার ল্যাব, একটি বিজ্ঞানাগার, একটি পাঠাগার চালু করা হয়েছে। টিফিনে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা চালু থাকায় তাদের বাইরে বা বাসার খাবার প্রয়োজন হয় না। ইহা ছাড়া বিদ্যালয়ের ভিতর একটি বেসরকারী ক্যান্টিন চালু আছে।

 বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের লক্ষে একটি অডিটোরিয়াম তৈরী করা হয়েছে যেখানে এক সাথে ৮০০ শিক্ষার্থী বসতে পারে। সেখানে বিভিন্ন জাতীয় দিবস এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড নিয়মিত ভাবে পারিচালিত হয়ে আসছে। শিক্ষকদের মাঝে মাঝে প্রশিক্ষনের বিষয়গুলো হালনাগাদ করা এবং নতুন কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণের লক্ষে একটি প্রশিক্ষণ  কক্ষ নির্মিত হয়েছে যাতে শিক্ষকদের পাঠদানে দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের লেখাপড়ার বিষয়গুলির বাস্তব জ্ঞান ও মেধা বিকাশের লক্ষে রচনা প্রতিযোগিতা,বিতর্ক প্রতিযোগিতা,খেলাধুলার ও শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা করা হয় । যার ফলশ্রতিতে বিদ্যালয়ের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল ক্রমশ ভাল হতে শুরু করেছে।

বিদ্যালয়টি যেহেতু মেয়েদের, মেয়েরা ফুলের মত । বিদ্যালয়ের সু-পরিসর ছাদে বড় করে ফুলের  ও ফলের  বাগান করা হয়েছে। সেখানে নানা জাতের ফুল ও ফল গাছ সবসময়ই শোভা বর্ধন করে যাচ্ছে। যাহা মেয়েদের বিনোদনের পরশ বুলায়।

বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয়েছে।

বিদ্যালয়টি নারায়ণগঞ্জ শহরের পূর্ব পার্শ্বে শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম পারে বড় রাস্তার সাথে অবস্থিত। বড় রাস্তাটি ঢাকা-চট্টগ্রাম গামী  রাস্তার চিটাগাং রোড় নামক স্থান থেকে আদমজী ইপিজেড হয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রবেশের পূর্বেই রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে বিদ্যালয়ের অবস্থান।

১৯৪৮ সালের কথা। তখন নারায়ণগঞ্জ ছিল পূর্ব পাকিস্থানের একটি মহুকুমা শহর। মহুকুমা প্রশাসক ছিলেন মি: রহমত উল্লাহ। যিনি পশ্চিম পাকিস্থানের নাগরিক ছিলেন।

মহুকুমা প্রশাসকের অধিনস্ত এই শহরে পাকিস্থানী অনেক নাগরিক, প্রশাসনের অনেক পদে কর্মকর্তা কর্মচারী ছিলেন। ঐ সময়ে উর্দূভাষী কর্মকর্তা যারা নারায়ণগঞ্জে স্ব-পরিবারে বসবাস করতেন তাদের সন্তানদের লেখাপড়া শিখানোর কোন বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। তৎকালীন এস,ডি,ওরহমত উল্লাহ সাহেব নারায়ণগঞ্জের ধনাড্য ব্যবসায়ী আবদুর রহমান ভূইয়া সংক্ষেপে এআর ভূইয়ার নিকট থেকে কেল্লার এই ১.৬২ একর জায়গাটি নিয়ে একটি উর্দূভাষী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। যার নামএস,ডি,ও সাহেবের নামানুসারে ‘রহমত উল্লাহ একাডেমী’,দেয়া হয়। ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২২ বৎসর এই প্রতিষ্ঠানটি চলমান ছিল। তখন বাংলাভাষী কোন শিক্ষার্থী এখানে ভর্তি হতে পারত না। ১৯৭০ সালের পর  উদূভাষী শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এই দেশ ত্যাগ করে। ১৯৭২ সালে দেশ স্বাধীনের পর এই বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে মুক্তিযুদ্ধত্তরকালে তাদের ব্যবহৃত অগ্নেয়স্ত্র সমূহ রাখার জন্য  ব্যবহার করেন। পরবর্তিতে অত্র অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা এবং মান্যবর ব্যক্তিগণের সহায়তায় এই অঞ্চলের নারী শিক্ষার প্রতিষ্ঠানের অভাব অনুভূতি থেকে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সূচনা করেন। বিদ্যালয়ের নাম বিবি মরিয়ম নামকরন হওয়ার পেছনে ঐতিহাসিক কিছু কারণ বিদ্যমান। বিদ্যালয়ের মূল ভবনটির উত্তর পার্শ্বে বিবি মরিয়মের মাজার শোভা পাচ্ছে। জানা যায় মোঘল শাসন আমলে নবাব শায়েস্থা খানের মেয়ে বিবি মরিয়ম এই এলাকায় বসবাস করতেন। তখন শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী অত্র অঞ্চলে একটি নৌবন্দর এবং নৌবাহিনীর দূর্গ অবস্থিত ছিল।  যে দূর্গটি বিদ্যালয়ের নিকটে এখনও বিদ্যমান আছে। এই নৌবাহিনীর প্রধান সেনা নায়কের বেগম ছিলেন বিবি মরিয়ম। তিনি যথেষ্ট খোদা প্রেমিক ছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। ঐ সময়ে তার মৃত্যুর কারণে নবাবদের তত্ত্বাবধানে তার সমাধিস্থলে বিরাট পোডিয়াম নির্মিত হয় ।

বিবি মরিয়মের সমাধী সেই ১৬০০ শতাব্দীতে নির্মিত হওয়ার পর আজও ইহা শোভা বর্ধন এবং দর্শনীয় স্থান হিসেবে বাংলাদেশের সংষ্কৃতি মন্ত্রনালয়ের তত্ত্বাবধায়নে রক্ষিত হয়ে আসছে । এ ব্যাপারে তথ্যভিত্তিক সঠিক ইতিহাস আজও পাওয়া যায় না। এই মহিয়শী নারী বিবি মরিয়মের নাম অনুসারে ১৯৭২ সালে  অত্র বিদ্যালয়ের নাম রাখা হয় ‘‘বিবি মরিয়ম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’’ । যাহা আজও নারায়ণগঞ্জ জেলা শহরে অন্যতম নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। 

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মো:সফিউল আলম খান 01819166422 bibimariumgirlshighschool@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

শ্রেণি বালক বালিকা মোট শিক্ষার্থী মুসলিম শিক্ষার্থী হিন্দু শিক্ষার্থী বৌদ্ধ শিক্ষার্থী খ্রিস্টান শিক্ষার্থী মন্তব্য ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ ১ম ০৬ ১৩ ১৯ ১৯ - ২য় ১১ ৩০ ৪১ ৪০ ০১ ৩য় ১৮ ৪৫ ৬৩ ৬১ ০২ ৪র্থ ১৯ ৪১ ৬০ ৫৪ ০৬ ৫ম ১৭ ৫৮ ৭৫ ৬৯ ০৬ ৬ষ্ঠ (ক) ৬৫ ৫৬ ০৯ ৬ষ্ঠ (খ) ৬৭ ৫৮ ০৯ ৬ষ্ঠ (গ) ৫১ ৫১ - ৬ষ্ঠ (ঘ) ৬১ ৬১ - ৬ষ্ঠ (ঙ) ৫২ ৫২ - ৬ষ্ঠ মোট ২৯৬ ২৭৮ ১৮ ৭ম(ক) ৬১ ৬১ - ৭ম(খ) ৬৭ ৬৭ - ৭ম(গ) ৭৩ ৬৫ ০৮ ৭ম(ঘ) ৭৭ ৭৭ - ৭ম মোট ২৭৮ ২৭০ ০৮ ৮ম(ক) ৭৩ ৫৪ ১৯ ৮ম(খ) ৭৯ ৭৯ - ৮ম(গ) ৯৬ ৯৬ - ৮ম মোট ২৪৮ ২২৯ ১৯ ৯ম মানবিক ৩৭ ৩২ ০৫ বাণিজ্য ৭৮ ৬৮ ১০ বিজ্ঞান ৩০ ২৮ ০১ ০১ ৯ম মোট ১৪৫ ১২৮ ১৬ ০১ ১০ম(ক) ৮০ ৬৮ ১২ ১০ম(খ) ৯০ ৯০ - ১০ম মোট ১৭০ ১৫৮ ১২ সর্বমোট ৭১ ১৮৭ ১৩৯৫ ১৩০৬ ৮৮ ০১

৯৩%

প্রাথমিক বৃত্ত

ক্রমিক

নাম

সাল

গ্রেড

০১

মো: ওবায়দুর রহমান খান

২০০১

সাধারণ

০২

সায়ীদা দিবা ফারাহ্

২০০৩

ট্যালেন্টপুল

০৩

তাহমিদ রহমান

২০০৩

ট্যালেন্টপুল

০৪

সাদিয়া আহম্মেদ

২০০৩

সাধারণ

০৫

মো: মাহমুদুর রহমান খান

২০০৪

সাধারণ

০৬

মো: আশিকুর নবী

২০০৬

ট্যালেন্টপুল

০৭

মো: ইমাম হোসেন

২০০৬

ট্যালেন্টপুল

০৮

দীপক ভৌমিক

২০০৬

ট্যালেন্টপুল

০৯

মো: আব্দুর রহিম

২০০৭

সাধারণ

১০

ইফ্ফাত আরা মীম

২০০৮

সাধারণ

১১

আবদুর রহিম

২০১১

সাধারণ

 

 

 

জুনিয়র বৃত্ত

 

ক্রমিক

নাম

সাল

গ্রেড

০১

আমেনা আক্তার

১৯৯৯

ট্যালেন্টপুল

০২

সাবরিনা ইয়াছমীন

১৯৯৯

ট্যালেন্টপুল

০৩

খালেদা আক্তার

১৯৯৯

সাধারণ

০৪

সৈয়দা তানজিমা সাদ

১৯৯৯

সাধারণ

০৫

নুসরাত জাহান

২০০০

সাধারণ

০৬

আয়েশা সিদ্দিকা

২০০১

ট্যালেন্টপুল

০৭

কামরুন নাহার লাইলী

২০০১

সাধারণ

০৮

মানসুরা আক্তার

২০০১

সাধারণ

০৯

আফরিন সুলতানা

২০০৪

সাধারণ

১০

নুসরাত হোসাইন

২০০৫

সাধারণ

১১

সাদিয়া আফরোজ

২০০৫

সাধারণ

১২

সায়ীদা দিবা ফারাহ্

২০০৬

সাধারণ

১৩

ফাতেমা আক্তার

২০০৭

ট্যালেন্টপুল

     ২০০০ সাল থেকে বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ক্রমন্নতি নিম্নরূপ:

এসএসসি

ক্রমিক

সাল

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

উত্তীর্ণের সংখ্যার

উত্তীর্ণের হার

২০০০

১১৫

৪২

৩৬.৫২%

২০০১

১৩২

৫৭

৪৩.১৮%

২০০২

১৯৯

৯২

৪৬.২৩%

২০০৩

২০৪

৬২

৩০.৩৯%

২০০৪

১৭৬

৬৬

৩৭.৫০%

২০০৫

১৬১

৮৪

৫২.১৭%

২০০৬

১৪০

৭১

৫০.০০%

২০০৭

১৫১

১০৩

৬৮.২১%

২০০৮

১৯২

১১০

৫৭.০০%

১০

২০০৯

১২৬

১১৬

৯২.০৬%

১১

২০১০

১৫৯

১৩০

৮১.৭৬%

১২

২০১১

১৫১

১৩৯

৯২.০৫%

১৩

২০১২

১৬৪

১৫৩

৯৩.২৯%

১৪

২০১৩

১৫৩

১৪৪

৯৪.১১%

 

 

 

জেএসসি পরীক্ষা প্রর্বতনের পর থেকে যে হারে পাবলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ক্রমন্নতি নিম্নরূপ:

জেএসসি

ক্রমিক

সাল

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

উত্তীর্ণের সংখ্যার

উত্তীর্ণের হার

২০১০

১৮৪

১৪৩

৭৭.৭১%

২০১১

২১৯

১৭৫

৭৯.৯০%

২০১২

১৮২

১৫৬

৮৫.৭১%

 

 

 

পিএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ক্রমন্নতি

পিএসসি

ক্রমিক

সাল

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

উত্তীর্ণের সংখ্যার

উত্তীর্ণের হার

২০০৯

১০৭

৭৪

৬৯.১৫%

২০১০

৯৬

৮১

৮৪.৩৮%

২০১১

৯৪

৯২

৯৭.৮৭%

২০১২

৮০

৭১

৮৮.৭৫%

 

 

 

 

খেলাধূলার ক্ষেত্রে:বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধূলায় যাতে উদ্বুদ্ধ হয় তার জন্য একজন ক্রীড়া শিক্ষিকা সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছে। তাকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করে যাবার ফলে শিক্ষার্থীরা বিগত ১২ বৎসরের তথ্যে খেলাধুলায় অর্জণ নিম্নরূপ:

 

ক) হ্যান্ডবল:

ক্রমিক

সাল

উপজেলা

জেলা পর্যায়ে

মন্তব্য

০১

২০০৪

রানার আপ

 

 

০২

২০০৫

চ্যাম্পিয়ন

রানার আপ

 

০৩

২০০৬

চ্যাম্পিয়ন

 

 

০৪

২০০৭

চ্যাম্পিয়ন

রানার আপ

 

০৫

২০০৮

রানার আপ

 

 

০৬

২০০৯

চ্যাম্পিয়ন

রানার আপ

 

০৭

২০১০

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

০৮

২০১১

চ্যাম্পিয়ন

 

 

০৯

২০১২

চ্যাম্পিয়ন

 

 

১০

২০১৩

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

 

 

 

 

খ) ফুটবল:

  

ক্রমিক

সাল

উপজেলা

জেলা

মন্তব্য

২০১১

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০১২

রানার আপ

 

 

২০১৩

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

 

 

ভলিবল:

ক্রমিক

সাল

উপজেলা

জেলা

মন্তব্য

২০০৩

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০০৪

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০০৫

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০০৬

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০০৭

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০০৮

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০০৯

রানার আপ

 

 

২০১০

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

২০১১

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

১০

২০১২

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

 

২০১৩

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

 

 

 

 

 

 ব্যাডমিন্টন দ্বৈত:

ক্রমিক

সাল

উপজেলা

জেলা

২০০৯

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

২০১০

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

২০১১

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

২০১২

চ্যাম্পিয়ন

চ্যাম্পিয়ন

২০১৩

রানার আপ

 

 

 

 এ্যাথলেটিক্সঃ  শিশু একাডেমী নারায়ণগঞ্জ।

 

ক্রমিক

সাল

ইভেন্ট

উপজেলা

জেলা

অঞ্চলে

২০১১

দীর্ঘ লাফ

১ম

১ম

২য়

২০১১

উচ্চ লাফ

১ম

১ম

৩য়

 

 

  দাবা: বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন অনুষ্ঠিত প্রথম স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড প্রতিযোগিতা-১৯৯৯ সালে মেয়েদের বিভাগে  ১ম থেকে ৪র্থ স্থান অধিকার করেছে।

     ২০০০-২০০৩ পর্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড প্রতিযোগিতায় মেয়েদের বিভাগে  ১ম থেকে ৩য় স্থান অধিকার করেছে।

    ২০০০ সালে শামীমা আক্তার লিজা ও শিরিন শারমিন ভারতে দাবা প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে।

২০০১ সালে শামীমা আক্তার লিজা জাতীয় মহিলা দাবাড়ু হয়। বিবি মরিয়ম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দাবাড়ুরা ইতিমধ্যে ভারত, জার্মানী,তুরষ্ক, ফিলিপাইন, কাতার ও নেপাল ভ্রমণ করেছে।

 

 

সাল

আয়োজক

ফলাফল

২০০৯

নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিস

চ্যাম্পিয়ন

২০১০

আন্ত: বিভাগীয় মহিলা দাবা প্রতিযোগীতা

৪র্থ স্থান

২০১১

আন্ত: বিভাগীয় মহিলা দাবা প্রতিযোগীতা

চ্যাম্পিয়ন

২০১১

নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা চ্যাম্পিয়নশীপ

চ্যাম্পিয়ন

২০১২

নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিস

চ্যাম্পিয়ন

২০১৩

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন

রানার আপ

২০১৩

বাংলাদেশ গেমস (অংশগ্রহন)

৪খেলায় ২ পয়েন্ট

 

 

 

বর্ণিত অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের জায়গা আছে কিন্তু খেলার উপযোগী মাঠ না থাকায় এই কার্যক্রম মারাত্নক বাধা গ্রস্থ হচ্ছে।

 

গ)সংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অর্জন:-

 সংগীত, উপস্থিত বক্তৃতা, বির্তক প্রতিযোগীতা, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ইত্যাদি অনুষ্ঠান করার জন্য বিদ্যালয়ে সুপরিসর অডিটোরিয়াম তৈরী করা হয়েছে। যাহাতে সাউন্ড সিষ্টেমের স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্ণিত বিষয়গুলিসহ আলোচনা সভা,জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা করা হয়। যার দ্বারা সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে সহায়তা হচ্ছে।

 

 

 

 

ঘ) অবকাঠামোগত অর্জন:

   সরকারী সহায়তাসহ বিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়ণে কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার,২টি শ্রেণিকক্ষ, গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ইহা ছাড়া বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণি কক্ষের উন্নয়ণসহ আসবাবপত্র চেয়ার বেঞ্চের উন্নয়ন করা হয়েছে।

ঙ) পরিবেশগত উন্নয়ন:

   ছোট ছোট শিশুদের পদচারনায় মুখরিত প্রতিষ্ঠান দেখতে অনেকটা ফুলের বাগানের মত দেখায়। যাহাকে আরো বিকশিত করার লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের বিশাল ছাদে বিশাল আকারে ফুলের বাগানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে দাড়ালে সত্যই ফুলের সুবাসে মন প্রাণ জুড়ায়।

óশিক্ষা ক্ষেত্রে ó

 

১। সংখ্যাগত পাশ বৃদ্ধি পেয়েছে । গুণগত পাশ বৃদ্ধির দিকে নজর দেয়া হচ্ছে।

২। খেলাধুলায় যথাসম্ভব সকল মেয়েদের অংশগ্রহণ, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি,শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি,  

অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা চলমান রাখা।

৩। দেশ বরেণ্য কবি সাহিত্যিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জন্ম ও মৃত্যু দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মধ্যদিয়ে শিক্ষার্থীদের অর্মতনীহিত মনণশীল প্রতিভা বিকাশের অনুকূল পরিবেশ তৈরী করার চেষ্টা করন।

৪। বিদ্যালয়ের পাঠাগারে সকল প্রকার বই দিয়ে সমৃদ্ধ করে পাঠাগারের পরিবেশ সুন্দর করে বই পড়ার অনুকূল পরিবেশ করে সৃজনশীল মেধা বিকাশের মাধ্যমে মানুষের মত মানুষ তৈরী দ্বার প্রান্তে পৌছে দেবার চেষ্টা করন।

৫। শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার যেমন প্রতিটি শ্রেণিতে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টা করন।

৬। পাঠদান ক্ষেত্রে পাঠ সহায়ক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার,উহা সংরক্ষণ ও ইহার মাধ্যমে বাস্তব জ্ঞান আহরণে  উদ্বুদ্ধ করতে পদক্ষেপ গ্রহন।

৭। শ্রেণিওয়ারী বাস্তব জ্ঞান আহরণের জন্য শিক্ষা সফর করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

৮। অত্র অঞ্চলের মেয়েদের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত লেখাপড়া এই প্রতিষ্ঠানেই নিশ্চিত করার লক্ষে, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত বিদ্যালয়কে উন্নিত করার বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ ।

৯। মেয়েদের বিদ্যালয়ে আসা যাবার পথে নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য প্রশাসনের সহায়তা ও সার্বক্ষনিক ম্যানেজিং কমিটির তৎপরতা বৃদ্ধি করণ।

১০। শিক্ষক-কর্মচারীদের আবাসিক সুবিধার বৃদ্ধির জন্য বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ।

যোগাযোগ: ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলাধীন বিবি মরিয়ম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আসার জন্য সড়ক পথে যাত্রাবাড়ীর পরে  তিনটি রাস্তায় যাতায়াত করা যায়। যেমন-

          ক) যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ডের মোড় ঘুরে সোজা দক্ষিণদিকে জেলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জের পাশদিয়ে চাষাঢ়া হয়ে খানপুর ২০০শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পাশ দিয়ে উত্তর দিকে কেল্লার পুল এলাকায় রাস্তার পশ্চিম পাশে বিদ্যালয় অবস্থিত।

          খ) যাত্রাবাড়ী থেকে পোস্তাগোলা ব্রিজের পাশ দিয়ে পাগলা ফতুল্লা হয়ে চাষাঢ়া এসে  বিদ্যালয়ে আসা যায়।

          গ) যাত্রাবাড়ী থেকে সোজা পূর্ব দিকে চিটাগাং রোডের মোড় ঘুড়ে আদমজি ইপিজেড-এর পাশ দিয়ে নারায়ণগঞ্জে প্রবেশ করার আগেই রাস্তার পশ্চিম পাশে বিদ্যালয়ের অবস্থান।

          এছাড়া  ডাকবিভাগের মাধ্যমে যোগাযোগঃ

বিবি মরিয়ম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

৩৪ ঈশা খাঁ রোড, সদর উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ।

e-mail:bibimariumgirlshighschool@yahoo.com

ফোন নম্বর: 02-7632477, মোবাইর নম্বর: 01819166422

ক্রমিক

শ্রেণি

নাম

রোল

 

 

২য়

সাথথীয়া আক্তার রাইসা

বালিকা ১

অনিশা সাহা অর্পা

ফাতেমা তুজ জাহান স্বর্না

মোঃ আবির ইবনে তৌসিফ

বালক ১

সাইফুল ইসলাম সিফাত

মোঃ মেহেদী হাসান রাবিব

 

 

৩য়

হালিমা আক্তার

বালিকা ১

আজমিরা আক্তার

ফারজানা আক্তার কলি

১০

মাহিম শেখ

বালক ১

১১

মোঃ ইশতিয়াক

১২

সানজিদ আহমেদ

১৩

 

 

 

৪র্থ

জাকিয়া তাবাস্সুম

বালিকা ১

১৪

আয়েশা খাতুন

১৫

মারিয়া রহমান ঈশা

১৬

মোঃ মুজাহিদুর রহমান

বালক ২

১৭

মাসুদ রানা

১৮

নীল রতন সাহা

১০

১৯

 

 

৫ম

শারমিন আক্তার প্রিতী

বালিকা ১

২০

স্মৃতি আক্তার

২১

সায়মা আক্তার স্বপ্না

২২

মোঃ আজীম চৌধুরী রম্নপম

বালক ১

২৩

আমিনুল হক রাহাত

২৪

মেহেদী হাসান

২৫

 

 

৬ষ্ঠ

মোসা : জারিন তাসলিম নবনী

২৬

সানজিদা আক্তার

২৭

ইসরাত জাহান

২৮

সুমাইয়া আক্তার

২৯

সামজিয়া সুলতানা

৩০

 

 

৭ম

রাকিবা আক্তার নিতুল

৩১

হালিমা আক্তার

৩২

ফারজানা আক্তার যুথি

৩৩

জান্নাতুল বুশরা

৩৪

তানজিলা জাহান

৩৫

 

 

৮ম

ফাতেমা আক্তার

৩৬

সিরাজুম মনিরা

৩৭

শারমিন আক্তার

৩৮

আয়েশা আক্তার

৩৯

সানজিদা আক্তার

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ক্রমিক

শ্রেণি

নাম

রোল

৪০

 

 

 

 

৯ম

ফারিয়া জাহান আসমিয়া

বিজ্ঞান-১

৪১

আনিছা আফরীন

বিজ্ঞান-২

৪২

তাহমিনা খায়ের নূপুর

বিজ্ঞান-৩

৪৩

সুস্মিতা দে

ব্যব-১

৪৪

ফাহিমা আক্তার স্বর্না

ব্যব-২

৪৫

তাহমিনা আক্তার

ব্যব-৩

৪৬

সাদিয়া সুলতানা নিঝুম

মানবিক-১

৪৭

সানজিদা আক্তার শাম্মী

মানবিক-২

৪৮

তানজিলা আক্তার

মানবিক-৩

৪৯

 

 

 

 

 

১০ম

তারান্নুম বিনতে সোহরাব

বিজ্ঞান-১

৫০

সুমাইয়া ইসলাম

বিজ্ঞান-২

৫১

নুসরাত জাহান

বিজ্ঞান-৩

৫২

মিথিলা দে

ব্যব-১

৫৩

মুক্তা মনি

ব্যব-২

৫৪

শাওলিন জাহান

ব্যব-৩

৫৫

সানজিদা হোসেন

মানবিক-১

৫৬

নুসরাত জাহান

মানবিক-২

৫৭

জান্নাতুল ফেরদৌস

মানবিক-৩



Share with :

Facebook Twitter